কলকাতা 

বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে স্টেটাস রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালত, ১ জুন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন শুভেন্দু

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া কত দূর এগিয়েছে, জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারের কাছে স্টেটাস রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি ছিল। আপাতত শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের বৈঠকের দিন স্থির হয়েছে। সেখানে ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবে। তার পরেই বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে খবর। আগামী ১ জুন সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেন্দু বৈঠকে বসবেন।

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং মহার্ঘ ভাতার বকেয়া মেটানোর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। কলকাতা হাই কোর্ট হয়ে সেই মামলা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। দীর্ঘ দিন ধরে ডিএ মামলা বিচারাধীন। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীনই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, সরকারি কর্মচারীদের পুরনো বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে অবিলম্বে। ডিএ-র বাকি অংশ ধাপে ধাপে মেটানোর কথা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার জন্য একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়নি। আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ফেব্রুয়ারিতে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বুধবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে।

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল ঘটে গিয়েছে। বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে প্রথম বার এ রাজ্যে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কত দূর এগোল, জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতিরা। মামলাকারীদের তরফে জানানো হয়, নতুন সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত বৈঠকের দিন স্থির হয়েছে। তাই এই মামলায় আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। আদালত জানায়, জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের এই মামলার শুনানি হবে। তার আগে রাজ্যকে ডিএ মামলার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলায় সওয়াল করেন আইনজীবী করুণা নিধি, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যেরা। ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর পর পুরনো বকেয়া ডিএ-র বাকি অংশ ধাপে ধাপে মেটানোর প্রক্রিয়াও যাতে ত্বরান্বিত হয়, সে বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন করুণা।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ